Skip to main content

Posts

আপনার সন্তানকে কেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করাবেন?

আপনার সন্তানকে কেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করাবেন? # প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো বেতন নেই। # বিনামূল্যে বই প্রদান। # প্রতি শিক্ষার্থীকে বছরে উপবৃত্তি ১৮০০ টাকা প্রদান। # উচ্চশিক্ষিত, মেধাবী, যোগ্য ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক দ্বারা পাঠদান। # পঞ্চম শ্রেণিতে সরকারি বৃত্তি প্রাপ্তির সুযোগ। # মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে আকর্ষণীয় উপায়ে পাঠদান। # সরকারিভাবে প্রতিদিন দুপুরে খাওয়ার ব্যবস্থা (মিড ডে মিল)। # অতিরিক্ত বইয়ের চাপ নেই।

ডায়াবেটিস কি কোনো বংশগত রোগ?

ডায়াবেটিস কি কোনো বংশগত রোগ? যাচাই করতে পারেন আপনি নিজেই... ডায়াবেটিস নিয়ে সমাজে এমন ধারণা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, ডায়াবেটিস নাকি একটি বংশগত রোগ! এমন ধারণা বা বিশ^াসের কথা শুনে আমরা অনেকে আতঙ্কিত হচ্ছি, অনেকে আবার খুশি হচ্ছি। যাদের বাবা-মা কারো ডায়াবেটিস ছিল বা আছে, তারা আতঙ্কিত হচ্ছি, হাল ছেড়ে দিচ্ছি এই ভেবে যে, আমিও যে-কোনো সময় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে পড়তে পারি, ডায়াবেটিস থেকে রক্ষা পাবার আমার কোনো উপায় নেই! আবার যাদের বাবা-মা কারো ডায়াবেটিস ছিল না বা নেই, তারা খুশিতে গদগদ হয়ে ভাবছি, আমি তাহলে ডায়াবেটিস থেকে নিরাপদ! ডায়াবেটিস নিয়ে আমাকে মোটেই ভাবতে হবে না! ডায়াবেটিস সম্পর্কে এই ধারণা আমাদের কতই না ক্ষতি করছে, তা বুঝতে পারলে সবাই আঁতকে উঠবেন, সন্দেহ নেই। চলুন দুই পদ্ধতিতে আমরা বিশ্লেষণ করে দেখি, ডায়াবেটিস সত্যিই বংশগতভাবে হয় কিনা! পদ্ধতি-১: ধরুন, আমার বাবা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন তখন, যখন তাঁর বয়স ৭০ বছর, আমার বয়স ৩৫ বছর। আমি যদি তখন ভাবি, আমার বাবা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন, আমিও নিশ্চিতভাবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবো, কারণ সবাই বলে, ডায়াবেটিস নাকি একটি বংশগত রোগ। এবার আপনি বলুন, আমার...

টেনশনে ভোগা মানুষের চেয়ে টেনশনে না ভোগা মানুষরাই বেশি আক্রান্ত হয় হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে

আমাদের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বামী সৌদি আরবে চাকরি করছেন অনেক বছর ধরে। বেতন ভালো। ব্যক্তিগত জীবনে তেমন কোনো টানাপোড়েন বা টেনশন নেই। বছর দুয়েক আগে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। এখন নিয়মিত ঔষধ খেয়ে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ঔষধ। ব্যায়ামও করছেন নিয়মিত। বয়স হবে পঞ্চাশের মতো। ঝুনু রানী পাল নামক আরেক সহকর্মীর স্বামী কয়েক বছর আগে উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা থেকে অবসরে গেছেন। বয়স এখন সত্তরের বেশি। কিন্তু এখনো হৃদরোগে আক্রান্ত হননি। তিনি চাকরিজীবনেও নিজের কৃষিক্ষেতে কাজ করতেন সকাল-বিকাল। এখনো তিনি কৃষিক্ষেতে কাজ করেন। একেবারে চিকন। শরীরে চর্বি-কোলেস্টেরল বলতে কিছুই নেই। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে তিনি প্রথমোক্ত জনের চেয়ে সুখী নন, টেনশন আছে অনেক। আমাদের এলাকায় কিছু লোক আছেন, যারা মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলো করে দেন দিনমজুর হিসেবে। কৃষিক্ষেতের কাজ, গাছ কাটার কাজ, মাটিকাটার কাজ, বিল্ডিংয়ের কাজ, রংয়ের কাজ ইত্যাদি। এরকম কয়েক জনের নাম উল্লেখ করছি। স্বপন, সিদ্দিক, সেলিম, সুমন, খোকা, লোকমান। আরো কয়েকজন আছে। এই লোকগুলো অনেক বছর ধরে মানুষের কাজ করে যাচ্ছেন। আমার জানামতে এই লোকগুলো...

EFT Form ইএফটি ফরম পূরণের নিয়মাবলী (ফরমসহ)

 EFT Form ইএফটি ফরম সকল সরকারি চাকরিজীবির জন্য। নিয়মাবলী: নম্বরের বিপরীতে কিছু তথ্য উক্ত তিনটি সার্ভার থেকে আসবে। তাই এই তিনটি অংশ কোনক্রমেই ভুল করা যাবে না। ২।  পুরো ফর্মের ৬ (ছয়)টি জায়গায় বাংলায় নাম লিখতে হবে। বাকিগুলো ইংরেজিতে লেখাই ভালো হবে। এতে করে ডাটা এন্ট্রি যারা করবেন তাদের জন্য সুবিধা হবে। ইংরেজিতে নাম লেখার সময় Capital Letter ব্যবহার করলে ভালো হয়। ফরমের যে সমস্ত জায়গায় বাংলায় নাম লিখতে হবে- ক. ১.০ প্রাথমিক তথ্যাদির * কর্মচারীর নাম খ. ২.২ পারিবারিক তথ্যাদির ২.২.১ এ স্বামী/স্ত্রী সম্পর্কিত তথ্যাদির ৩ (তিন) নম্বর কলামে। গ. ২.২.২ এর সন্তান সম্পর্কিত তথ্যাদির ৫ (পাঁচ) নম্বর কলামে। (যাদের প্রয়োজন তারা লিখবেন।) ঘ. ২.২.৩ প্রতিবন্ধি সন্তান সম্পর্কিত তথ্যাদির ৪ (চার) নম্বর কলামে (যাদের প্রয়োজন। তারা লিখবেন।) ঙ. ৫.২ জিপিএফ নমিনি সংক্রান্ত তথ্যাদির ৪ (চার) নম্বর কলামে চ. ৯.০ চাকুরিজীবির অবর্তমানে পেনশন প্রাপ্তির উত্তরাধিকারী মনোনয়ন অংশের ৪ (চার) নম্বর কলামে। ৩। ১.০ প্রাথমিক তথ্যাদির জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এর ক্ষেত্রে পে-ফিক্সেশনে ব্যবহৃত নম্বরটি দিতে হবে। এক্ষেত্রে নতুন আইডি কিং...

হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ ধেয়ে আসছে আমাদের সবার দিকে!

বর্তমান সময়ে মানুষ যে রোগগুলোতে বেশি আক্রান্ত হয়, সেগুলোকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। কিছু রোগ চিকিৎসায় পুরো ভালো হয়ে যায়, কিছু রোগ একবার আক্রমণ করলে আর কখনো পুরোপুরি ভালো হয় না; কিছু রোগ মানুষকে সাময়িক কষ্ট দেয়, কিছু রোগ দীর্ঘ সময় ধরে কষ্ট দেয়; কিছু রোগে মৃত্যুহার কম, কিছু রোগে মৃত্যুহার বেশি; কিছু রোগ আকস্মিক মানুষের মৃত্যু ঘটায়, কিছু রোগ আকস্মিক মৃত্যু ঘটায় না; কিছু রোগের চিকিৎসা-ব্যয় বেশি, কিছু রোগের চিকিৎসা-ব্যয় কম; কিছু রোগ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, কিছু রোগ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় তেমন কোনো পরিবর্তন আনে না। যে রোগগুলো সাময়িক কষ্ট দেয়, যেগুলোর পেছনে চিকিৎসা-ব্যয় কম, মানুষের আকস্মিক মৃত্যু ঘটায় না, অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষ সেগুলো থেকে পুরোপুরি সুস্থ্য হয়ে যায়, এরকম রোগগুলো মধ্যে রয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড, মাথাব্যথা, মাইগ্রেন, কনজাংটিভাইটস, ডায়রিয়া, কলেরা, যক্ষ্মা, আর্থারাইটিস বা বাত, পক্স, বিভিন্ন রকম চর্মরোগ ইত্যাদি। এই রোগগুলো ব্যতীত যে রোগগুলো রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ক্যান্সার, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্...

কোন ধরনের মানুষ থেকে ডায়াবেটিস নিজেই দূরে থাকে?

ডায়াবেটিস রোগটির নাম আমি কখন , কত বছর বয়সে শুনেছি, মনে নেই। তবে ১৯৯৪-৯৫ সালের দিকে, আমার বয়স যখন ১৪-১৫ বছর, তখন আমার এক সহপাঠি ছিল আফসারুল আলম সিদ্দিকী সেলিম নামে, বেশ মেধাবী ছিল। সে মাঝে মাঝে তার বাবার কথা বলতো। বলতো, তার বাবার নাকি ডায়াবেটিস। তার বাবা কোনো একটা চাকরি করতেন। চাকরি থেকে তখন অবসরে ছিলেন। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত কোনো রোগী হিসেবে প্রথমে হয়তো তার কথাই জেনেছি। তার ডায়াবেটিসের কথা প্রথম আমার ওই ক্লাসমেটের মুখ থেকেই শুনেছি। আমাদের বংশের কারো, বা আমাদের কোনো আত্মীয়ের ডায়াবেটিসের কথা কানে আসেনি তখনও। এরপর ধীরে ধীরে ডায়াবেটিস রোগটির সাথে আরো ভালোভাবে পরিচিত হতে থাকি। সর্বশেষ খবর, আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক কয়েকদিন আগে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। এর আগে গত তিন বছরের মধ্যে আমাদের বাড়ির দু’দুজন লোক ডায়াবেটিসের তীব্রতায় মারা গেছেন। একজনের নাম আবুল বাশার, আরেকজন আবুল বাশারের প্রয়াত বড় ভাইয়ের স্ত্রী। আরো কিছু খবর দেয়া যাক। ২০১৫ সালে আমার এক সহকর্মীর বড় ছেলেটি পঞ্চম থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার কিছুদিনের মধ্যে তার ডায়াবেটিস দেখা দেয়। আমার ওই সহকর্মী বিষয়টা বলে অনেক সময় খুবই দুঃখ করতেন। বলতে...

ডায়াবেটিসকে বংশগত রোগ বলে প্রচার করার গুরুতর ক্ষতি

‘ডায়াবেটিস বংশগতভাবেও হয়’ প্রচলিত এই ধারণা বা বিশ্বাস বিশ্বব্যাপী মানুষের ক্ষতি করে যাচ্ছে ভয়াবহভাবে। ব্যাপকহারে প্রচারের কারণে অসংখ্য মানুষ এখন বিশ্বাস করছে, ডায়াবেটিস একটি বংশগত বা জিনগত রোগ। বাপ-দাদা বা মা-নানী কারো ডায়াবেটিস থাকলে সন্তানও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়। কিভাবে প্রচারিত হয়েছে? কেউ ডায়াবেটিস রোগ নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে অধিকাংশ ডাক্তার রোগীকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনার বংশের কারো কি ডায়াবেটিস ছিল?’ রোগী ‘হ্যাঁ’ বললেই হলো, ঐ রোগীর ডায়াবেটিসকে বংশগত বলে মন্তব্য করতে ডাক্তার দ্বিতীয়বার ভাববার প্রয়োজন মনে করেন না। বংশের কারো ডায়াবেটিস থাকলেই সন্তান সেই ডায়াবেটিসের উত্তরাধিকার হয়ে যায়, ডাক্তারদের এই মন্তব্য আমাদের সহজেই বিশ্বাস হয়ে যায়। প্রথম কারণ, কথাটা বলেছেন একজন ডাক্তার। আর ডাক্তাররা অবশ্যই আমাদের চেয়ে এই বিষয়ে বেশি জ্ঞান রাখেন। দ্বিতীয় কারণ, বংশগতভাবেও মানুষ অনেক রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকার কথা সত্য। আমরা ডায়াবেটিস সম্পর্কে ডাক্তারদের এমন মন্তব্যের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের আগে দেখে নিই কোন কোন রোগ বাবা-মা থেকে সন্তানের শরীরে সংক্রমিত হয় এবং কখন একটি রোগ বাবা-মার শরীর থেকে সন্তানের শরীরে সংক...