মোবাইল অপারেটরগুলো যেভাবে মানুষের পকেট কাটছে ইমার্জেন্সী ব্যালেন্স মোবাইলের ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে রিচার্জের সুযোগ নেই, এমন অবস্থায় কারো সাথে জরুরী কথা বলার জন্যই ইমার্জেন্সী ব্যালেন্স নেয়া হয়। প্রথম প্রথম আমাকে দেয়া হতো ১৮ টাকা। যুক্তিসঙ্গত। কিন্তু এখন দেয়া হয় ১০০ টাকা। ‘ইমার্জেন্সী ব্যালেন্স’ ১০০ টাকা কেন? আমি অধিকাংশ সময় রিচার্জ করি ৪৯ টাকা। আমাকে অবশ্যই সব সময় ৪৯ টাকার কম ইমার্জেন্সী ব্যালেন্স দেয়া উচিত। তাছাড়া এই ব্যালেন্স নেয়া হয় একেবারে আপৎকালীন সময়ে। ১০০ টাকা ইমার্জেন্সী ব্যালেন্স দেয়ার কারণে গ্রাহকের কী সমস্যা হচ্ছে? প্রথম সমস্যা হচ্ছে, এই ১০০ টাকা শেষ হয়ে যাবার পর গ্রাহককে অবশ্যই ১০০ টাকার বেশি রিচার্জ করতে হবে। কারণ ১০০ টাকা তো কেটেই নেয়া হবে। এটা গ্রাহকের উপর একটা বড় চাপ। লাভ হচ্ছে মোবাইল অপারেটরের। দ্বিতীয় সমস্যা হচ্ছে, ইমার্জেন্সী ব্যালেন্স দিয়ে কথা বলার সময় কলরেটের সর্বোচ্চ হার কাটা হয়। আমার একটি কল ছিল ৫ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড। কাটা হয়েছে ১৩.৯৯ টাকা (২.৩৯টাকা/মিনিট হারে)! এই ১০০ টাকা ইমার্জেন্সী ব্যালেন্স দিয়ে কথা বলা যাবে মাত্র ৪১ মিনিট। মানে ৪১ মিনিট কথা বললেই আ...
সময় নিউজ বাংলা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর সংবাদ সরবরাহ করে।