অনেক চড়াই উতরাই, অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড নিয়ে জটিলতা দূর হচ্ছে।
দৈনিক সমকালে প্রকাশ, সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্ধারিত সফটওয়্যার 'আইবাস++' এর মাধ্যমে বর্তমানে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। সোমবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকদের এ বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয় যে, প্রাথমিক শিক্ষকদের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণের লক্ষ্যে 'আইবাস++' সফটওয়্যার আপগ্রেডের কাজ চলমান রয়েছে, যা শিগগিরই সম্পন্ন হবে। ইতিমধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড-১৪ (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) এবং বেতন গ্রেড-১৫ (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে বেতন গ্রেড-১৩ তে উন্নীত করে উচ্চধাপে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায়ের স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মাঠ পর্যায়ে 'আইবাস++' এ বেতন নির্ধারণে সাময়িক অসুবিধার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। আশা করা হচ্ছে অতিদ্রুত 'আইবাস++' আপগ্রেডেশন সম্পন্ন হবে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকগণ উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণ করতে পারবেন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম বেতন গ্রেড দ্রুত কার্যকর করা হবে। সফটওয়্যার সংক্রান্ত সমস্যার কারণে উন্নীত গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। এটি আপডেট কাজ শেষ হলেই বাড়তি সুবিধা প্রদান করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মাঠপর্যায়ে ‘আইবাস++’ এ বেতন নির্ধারণে সাময়িক অসুবিধার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুত ‘আইবাস++’ আপগ্রেডেশন সম্পন্ন হবে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণ করতে পারবে।
সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষকের বেতন-ভাতা এখনও ১৩তম গ্রেডে নির্ধারণ হয়নি। ফলে তারা আগের গ্রেডেই বেতন পাচ্ছেন। বর্তমানে তা সমাধানের কথা জানাল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
Comments
Post a Comment