🔹নতুন উপলব্ধি🔹
২০১৫ সালের আগে আমার বিশ্বাসগুলো পৃথিবী আর সবার মতোই ছিল। কিন্তু ২০১৫ সালের পর আমার বিশ্বাসগুলো পাল্টে যায়। যেমন:
(১) ধূমপানে স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতিই হয় না, ক্ষতি হয় মদপানে।
এই বিষয়ে দুইটি লেখা আছে।
বিস্তারিত:
(২) মশা মানুষের শরীরে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে বা ছড়াতে সক্ষম নয়।
এই বিষয়ে লেখা: এডিস মশা, চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে কিছু কৌতুহলোদ্দীপক প্রশ্ন
(৩) ভাইরাস এবং রোগজীবাণু নামে আলাদা কিছু নেই, যেগুলো মানুষের শারীরিক ক্ষতির কারণ।
এই বিষয়ে লেখা: ভাইরাস এবং রোগজীবাণুর ধারণা বিজ্ঞান-সৃষ্ট ভুত!
(৪) ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীব বাস্তবে থাকতে পারে, তবে মানুষের শারীরিক কোনো ক্ষতির জন্য তারা দায়ী নয়।
এই বিষয়ে লেখা: ভাইরাস এবং রোগজীবাণুর ধারণা বিজ্ঞান-সৃষ্ট ভুত!
(৫) জ্বর, নিমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা এই রোগগুলো কখনোই ছোঁয়াচে নয়।
এই বিষয়ে লেখা: জ্বর-নিউমোনিয়া এগুলো কি ছোঁয়াচে রোগ?
(৬) হাঁচি-কাশির মাধ্যমে কোনো রোগ কখনোই সংক্রমিত হতে পারে না।
(৭) পক্স, চোখ ওঠা, যক্ষা, হাঁপানি এসব রোগ ছোঁয়াচে নয়।
এই বিষয়ে লেখা:
(1) চোখ ওঠা রোগ (কনজাংটিভাইটিস) কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়
(2) ‘চোখ ওঠা’ এবং জলবসন্ত (পক্স) কি সত্যিই ছোঁয়াচে রোগ?.
(৮) পৃথিবীতে কোনো রোগ-ই ছোঁয়াচে নয়।
এই বিষয়ে লেখা: ছোঁয়াচে বা বায়ুবাহিত কোনো রোগ নেই
(১০) করোনাভাইরাস কোনো ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়।
এই বিষয়ে লেখা: করোনাভাইরাসের প্রকৃত রহস্য
(১১) উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেসার), ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগ (হার্ট অ্যাটাক) এই তিনটি রোগ বংশগত রোগ নয়, বরং এগুলো সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ।
এই বিষয়ে লেখা: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগ এগুলো বংশগত ভাবে হয় না
(১২) ক্যান্সারের কোনো কারণই এখনো পরিষ্কার নয়।
এই বিষয়ে লেখা: স্ট্রোক এবং ক্যান্সারের কোনো কারণ এখনো পরিষ্কার নয়
(১৩) চিনি-মিষ্টান্ন খাওয়া বা বেশি খাওয়া ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবার কারণ নয়।
এই বিষয়ে লেখা: চিনি বা মিষ্টি বেশি খেলে কি ডায়াবেটিস হয়?
(১৪) লবণ খেলে মানুষ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হয় না।
এই বিষয়ে লেখা: লবণ খাওয়ার সাথে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হবার কোনো সম্পর্ক নেই
(১৫) টেনশনে মানুষ হার্ট অ্যাটাক এবং ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় একেবারে কম।
এই বিষয়ে লেখা:
(1) টেনশনে কি মানুষ ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়?
(১৬) সাইকেল চালালে হার্ট দুর্বল হয় না, বরং শক্তিশালী হয়।
এই বিষয়ে লেখা:
(১৭) তেল-চর্বি বা শর্করা জাতীয় খাবারে মানুষের কোনো রোগ হয় না, বরং মানুষের রোগ হয় শারীরিক পরিশ্রমের কাজ থেকে দূরে থাকলে।
(১৮) মানুষ বায়ু থেকে অক্সিজেনের চেয়ে বেশি গ্রহণ করে নাইট্রোজেন।
এই বিষয়ে লেখা: মানুষ কি সত্যিই বায়ু থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে?
(১৯) ডায়াবেটিস বড়লোকদের রোগ নয়, বরং আরামে থাকা মানুষের রোগ।
এই বিষয়ে লেখা: ‘ডায়াবেটিস বড়লোকদের রোগ’ কথাটা কতটুকু সত্য?
(২০) শসা খেলে চর্বি কমে না, বরং চর্বি কমানোর জন্য ডায়েট কন্ট্রোল এবং কায়িক শ্রম জরুরী।
এই বিষয়ে লেখা: শসা খেলে কি সত্যিই চর্বি কমে?
এই নতুন বিশ্বাসগুলোর প্রত্যেকটির পক্ষে আমার অনুসন্ধানী লেখা আছে। আমি আমার নিজ প্রয়োজনেই বিষয়গুলো নেড়েচেড়ে দেখেছি এবং বিষয়গুলো নিয়ে লিখেছি। অনেকগুলো লেখা বেশ দীর্ঘ। ১০নং বিষয়ের লেখাটি (করোনাভাইরাস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়) ৪২০ পৃষ্ঠার সমতুল্য একটি বইয়ের সমান। সবগুলো লেখাই আমার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা আছে। আমার নতুন এই বিশ্বাসগুলোকে ‘‘সত্যিকারের উপলব্ধি’’ বলেই আমার কাছে মনে হয়। কেউ কখনো কোনোভাবে আমার এই নতুন উপলব্ধিগুলো ভেঙ্গে ফেলতে পারবে না।
এই নতুন উপলব্ধিগুলো আমার পথচলা অনেক সহজ করেছে; অনেক শুচিবায়ু এবং অমূলক ভয় থেকে আমার জীবনকে নিরাপদ করেছে।
যেকেউ এই নতুন বিশ্বাসে বিশ্বাসী হতে চাইলে আমার এই সংক্রান্ত লেখা পড়তে পারেন। প্রত্যেকটি লেখা প্রত্যেক বিষয়ে Full course.
Comments
Post a Comment