কিন্তু সেপ্টেম্বরের শেষদিকেও যখন করোনা পরিস্থিতির বেশ একটা উন্নতি হয়নি, তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আরো বাড়িয়ে অক্টোবরের ৩ তারিখ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম আরা নাজনীন স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনায় বলা হয়, কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। বিদ্যালয় পুনরায় চালুর আগে অনুমোদিত নির্দেশিকার আলোকে প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা স্কুল পর্যায়ে প্রেরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে অনুরোধ করা হয়েছে। [দৈনিক যুগান্তর, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০]
খবরে প্রকাশ, প্রতিদিন কীভাবে ক্লাস পরিচালনা করা হবে, সে সম্পর্কে দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করে আলাদাভাবে তিনটি ক্যাটাগরিতে ৫০টির বেশি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
>> প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্রিবতকর নাম পাল্টানো হচ্ছে
দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত এ সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়ছে, ‘‘কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা’ সব বিদ্যালয়ে পাঠাতে গতকাল মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে অনুরোধ করেছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নেওয়া পদক্ষেপের উপর পোস্টার ও লিফলেটের খসড়াসহ একটি প্রস্তাব দিতেও অধিদপ্তরকে বলা হয়েছে।’’ [দৈনিক ইনকলিাব, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০]
অন্যদিকে, জেএসসি’র পরিবর্তে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব স্কুলে মূল্যায়নের নির্দেশনা দেয়ার পর, অন্যান্য শ্রেণির ক্লাস-পরীক্ষার ব্যাপারেও চলতি সপ্তাহেই আন্তঃশিক্ষা বোর্ড চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানা গেছে।
প্রতিবছর নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু করোনার থাবায় এ বছর শিক্ষাক্ষেত্রে সব পরিকল্পনা বদলে গেছে। গত মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পর এখনো খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি। এরইমধ্যে পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে। [বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০]
Comments
Post a Comment