কিছুদিন আগ ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব স্কুলের সাইনবোর্ডের ছবি পোস্ট করে বেশ হাসাহাসি হয়। বিষয়টা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নজরে আসে। তাই অধিদপ্তর এসব শ্রুতিকটু স্কুলের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। ইতোমধ্যে এরকম কয়েকটা স্কুলের নাম পরিবর্তনও করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিচ্ছিন্নভাবে এর আগেও এ ধরনের কয়েকটি স্কুলের নাম পরিবর্তন করেছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন এ ধরনের সব বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।
যমুনা টিভিতে সংবাদ প্রচারের পর নেত্রকোণার ‘চোরের ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের’ নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। পূর্বধলা উপজেলার স্কুলটির নাম নিয়ে সংবাদ প্রচার করে যমুনা টেলিভিশন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি নজরে আসে উপজেলা প্রশাসনের। ফলে ৩০ বছর পর পরিবর্তন হতে যাচ্ছে ‘চোরের ভিটা’ স্কুলের নাম।
>> প্রাথমিকে ড্রেস কোড অনুসরণে নতুন নির্দেশনা
নীলফামারী জেলাধীন সদর উপজেলার ‘মানুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের’ নামও পরিবর্তন করে ইতোমধ্যে ‘মানুষ গড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ করা হয়েছে।
শ্রুতিমধুর নয় এবং যেসব নাম উচ্চারণ করতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, এমন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেয়ায় আমরা বর্তমান সরকার এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানাই।
>> প্রাথমিকের ইংরেজি প্রশ্নকাঠামো কেমন হওয়া উচিত?
Comments
Post a Comment