Skip to main content

সাইক্লিং কেন স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি?

 সাইক্লিং কেন স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি?

নূর আহমদ

সাইক্লিং শুধু চমৎকার শরীরচর্চাই নয়, হার্ট অ্যাটাকসহ নানা ধরনের রোগের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়। সম্প্রতি গ্লাসগো ইউনিভার্সিটির এক সমীক্ষায় জানা গেছে সাইক্লিংয়ের উপকারিতা সম্পর্কে।

আরো পড়ুন: হাঁটা মানুষকে বেশ কিছু রোগ থেকে নিরাপদ রাখে

রোগবালাই থেকে দূরে থাকতে আর বিভিন্ন সমস্যা কমাতে সাইকেল চালানো আসলেই বেশ উপকারী হতে পারে, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যেই। কিভাবে? জেনে নেয়া যাক:

[দীর্ঘজীবন লাভের উপায় শিরোনামে এইটি বই পড়ুন সম্পূর্ণ অনলাইনে, ঘর শুয়ে-বসে। বইটি পড়লে আপনি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং হার্ট অ্যাটাক এই তিনটি গুরুতর রোগের সঠিক কারণ এবং এই তিনিটি রোগ থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখার সঠিক উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।]

কমাতে পারে আপনার হৃদরোগ

কঠিন হৃদরোগ কমাতে সাইকেল চালানো বিশেষ উপকারী। কারণ হৃদরোগীদের জন্য রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহ জরুরি। সাইকেল চালালে শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে হার্ট ভালো থাকে। সুস্থ মানুষ নিয়মিত সাইকেল চালালে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে, আবার হৃদরোগে আক্রান্তরাও এতে উপকার পাবেন।



আপনার ওজন কমিয়ে দেবে

সাইকেল চালানো এক ধরনের ব্যায়াম। এর ফলে আমাদের ওজন কমে। সাইকেল চালানো হলে অধিক ক্যালরি খরচ হয়। এর ফলে বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। ওজন কমে যায় এবং নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর একটু বেশি গতিতে সাইকেল চালালে ক্যালরি একেবারে কমে যাবে। ঘেমে শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বেরিয়ে যাবে।

আরো পড়ুন: মশা মানুষের শরীরে কোনো রোগ ছড়াতে পারে না

আয়ু বাড়বে

নিয়মিত সাইক্লিং করলে শরীরের রোগ সংক্রমণের হার কমবে আর আয়ু কমবে। তাই নিজের আয়ু বাড়াতে সকালে বা সন্ধ্যার আগে কমপক্ষে আধাঘণ্টা সাইকেল চালান।

কোলেস্টরল কমায়

সাইকেল চালালে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে থাকে। ফলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা যায়।

ডায়াবেটিস কমাতে

গবেষণায় প্রমাণিত, ব্যায়াম করলে ডায়াবেটিস মেলাইটিসের হার কমে। যাদের ডায়াবেটিস মেলাইটিস রয়েছে, তারা নিয়মিত ব্যায়াম করলে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং টাইপ- ডায়াবেটিস মেলাইটিসের সূত্রপাতকে প্রতিহত করে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

সাইক্লিং মানুষকে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। নিয়মিত সাইকেল চালালে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

মাংশপেশী গঠন করে

সাতারের পর সাইক্লিংকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ব্যায়াম হলো সাইকেল চালানো। সাইক্লিং মাংশপেশীর গঠনে ভালো হাজ করে। শরীরের নিচের অংশের মাংশপেশী যেমন পা, হাঁটু, উরু ইত্যাদি অংশে ভালো ব্যায়াম হয়।

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে

ব্যায়ামের পাশাপাশি সাইক্লিং করলে মস্তিস্কে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে। এটি আমাদের সুস্থ মানসিকতার জন্য খুবই জরুরি। সাইকেল চালালে মানসিক উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা চাপ নিমিষেই কমে যেতে পারে। বিশ্বাস না হলে নিজেই চেষ্টা করে দেখুন।

রোগ প্রতিরোধে

যারা এখনো উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হননি, নিয়মিত সাইকেল চালালে তারা এই রোগগেুলো থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। কারণ সাইক্লিং একটি উৎকৃষ্ট ব্যায়াম। আমার ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম মানুষকে এই তিনটি রোগ থেকে নিরাপদ রাখে। যদি আপনি নিয়মিত সাইকেল চালান, আপনি এই তিনটি রোগ থেকে নিশ্চিতভাবে নিরাপদ থাকবেন।

সাইকেল চালালে মেদ কমে

কর্মব্যস্ত নাগরিক জীবনে অনেকেই চেষ্টা করেন প্রতিদিন ব্যায়াম না করে অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলতে। এই জন্য ডায়েটে নজর রাখেন সবাই। কিন্তু প্রতিদিন সাইকেল চালালে ঝরতে পারে অতিরিক্ত মেদ।


সাইক্লিং সম্পর্কে ভুল বিশ্বাস

ছোটকাল থেকে সাইক্লিং সম্পর্কে একটি কথা অসংখ্যবার শুনে আসছি মানুষের মুখে।সাইকেল চালালে নাকি হার্ট দুর্বল হয়ে যায় বা হার্টের ক্ষতি হয়!’ ধারণাটির চুলচেরা বিশ্লেষণ করা দরকার। অনেকে আমাকেও কথাটি বিভিন্ন সময় বলে সাইকেল চালানোর ব্যাপারে সাবধান করেছে। এখনো অনেকে প্রায়ই বলে, ‘একটা মোটরসাইকেল কিনে নিন, সাইকেল চালালে...শৈশব থেকে কথাটি শুনে আর দশজনের মতো আমারও বিশ্বাস হতো। তখন হয়তো ভাবতাম, সাইকেল চালাতে হয় কিছুটা ঝুঁকে ঝুঁকে এবং এতে বেশ পরিশ্রম হয় বলে হার্ট দুর্বল হয়ে যায়। অথবা অনেকের হয়তো বাস্তবিকই সাইকেল চালানোর কারণে হার্ট দুর্বল হয়ে গেছে বিধায় কথাটি সমাজে ব্যাপক প্রচলিত হয়ে গেছে। তাই কখনো কেউ এমন কথা বললে বিশ্বাস করে যেতাম নিশ্চিন্তে। নিজেও অবশ্য ভয়ে ভয়ে সাইকেল চালাতাম। মানুষের কথাটি নিয়ে কখনো তেমন একটা ভেবে দেখার সুযোগ হয়নি।

বছরদুয়েক আগে এক সন্ধ্যায় আমি কর্মস্থল থেকে ফেরার সময় পথে আমার বন্ধুর মতো একজনের সাথে দেখা হলো। কথাবার্তার একপর্যায়ে তিনি আমাকে বললেন, ‘...ভাই, সাইকেল আর কতো চালাবেন, সাইকেল বেশি চালানো ঠিক নয়, এতে হার্ট দুর্বল হয়ে যায়। একটা মোটরসাইকেল...তাঁর কথা শুনে আমি সামান্য ভাবলাম। ভেবে বললাম, ‘...ভাই, সাইকেল চালানোর কারণে হার্ট দুর্বল হয়ে গেছে, এমন একটা মাত্র লোক আমাকে দেখিয়ে দিন।আমার হিতাকাক্সক্ষী সাইকেল চালানোর কারণে হার্ট উইকনেসে ভোগা মাত্র একজন লোকের উদাহরণ দিতেও ব্যর্থ হলেন। তাহলে কোত্থেকে তিনি আমাকে বললেন সাইকেল চালানোর এই ক্ষতির কথা? তিনি বললেন, কারণ সমাজের অনেকের মুখে অহরহ এমন কথা শোনা যায়, শুধু এইজন্য!

বিশ্বের নানা দেশের মানুষ যখন নির্ভয়ে সাইকেল চালায়, আমাদের দেশের মানুষ তখন খুব ভয়ে ভয়ে সাইকেল চালায়, না জানি কখন হার্ট নষ্ট হয়ে যায়! চীন-জাপান-কোরিয়ার মানুষ সাইকেল চালাতে বেশ অভ্যস্ত। জাপানে ক্লাস সেভেন থেকে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয় সাইকেল চালিয়ে, তা তার বাবা অনেকগুলো গাড়ির মালিক হলেও! [জাপান কাহিনি, পৃ-৫৯; লেখক : আশির আহমেদ; প্রকাশনায় : ঐতিহ্য]

চীনের মানুষের সাইকেল চালানো সম্পর্কে একটু জেনে নিন চীন ভ্রমণকারী এক বাংলাদেশীর কাছ থেকে।বেইজিং আজকালকার যে কোনো বড় শহরের মতোই, রাস্তা বেশ প্রশস্ত। রাস্তার একপাশে সাইকেল লেন। চীনের খুব কম লোককেই হাঁটতে দেখলাম। ছেলে মেয়ে সবাই সাইকেলে করে যাতায়াত করছে। যেদিকে তাকাই সেদিকেই অগুণিত সাইকেল।’ [জাপান থেকে মেক্সিকো, পৃ-; লেখক : ডা: আবদুস সাত্তার; প্রকাশক : সন্দেশ]


সাইকেলের শহর

নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম শহর সম্পর্কে একটা মজার তথ্য জেনে নিন- ‘ঢাকাকে যেমন রিকশার শহর বলা হয়, আমস্টারডাম হচ্ছে সাইকেলের শহর। কেবল মূল শহরের প্রায় আট লক্ষ অধিবাসীর রয়েছে কমবেশি আট লক্ষ সাইকেল (এক হিসাবে লক্ষ ৮১ হাজার) অথচ গাড়ির সংখ্যা লাখ ৬৩ হাজার, অর্থাৎ গাড়ির চেয়ে সাইকেলের সংখ্যা চার গুণ বেশি। নগরীর চলাচলের ৩২ শতাংশ হয় সাইকেলে, গাড়িতে ২২ এবং গণপরিবহনে ১৬ শতাংশ। সাইকেলের জন্য নির্ধারিত লেনের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০ কিলোমিটার। লাল রঙের এই লেনে পথচারীদের কেউ মনের ভুলে হাঁটতে থাকলে সাইকেলের গতিরোধ হয় বলে তারা মাঝে মাঝে বেশ ক্ষেপে যায়। কারণ বহু কষ্টে আমস্টারডামের সচেতন নাগরিকেরা তাদের শহরকে একটা সাইকেল বান্ধব শহরে পরিণত করতে পেরেছিল।’ [বিশ্বজোড়া অনন্ত অঙ্গনে, পৃ-১৪৩; লেখক : ফারুক মঈনউদ্দিন; প্রকাশনায় : অন্যপ্রকাশ]

প্রথম আলোর সাথে প্রতি শনিবার প্রকাশিত সাপ্তাহিক ক্রোড়পত্রছুটির দিনে ২৬ জানুয়ারি ২০১৯ সংখ্যায় চতুর্থ পৃষ্ঠায় একটি মজার তথ্য ছাপা হয়যে দেশে মানুষের চেয়ে সাইকেল বেশি!’ শিরোনামে। সেখানে বলা হয়, ‘নেদারল্যান্ডসের জনসংখ্যা এখন প্রায় কোটি ৭২ লাখ। তবে আজব ব্যাপার হলো, দেশটিতে সাইকেলের সংখ্যা কোটি ৩০ লাখ, যা মোটা জনসংখ্যার চেয়ে বেশি।

এতটুকু জেনে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই, কারণ সাইকেলের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য দেশটির সরকার সম্প্রতি উদ্যোগী হয়েছে। প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করেছে সাইকেল পার্কিং, নতুন পথ তৈরি করাসহ বাইসাইকেল জনপ্রিয় করার কাজে। এমনকি তিন বছরের জন্য বরাদ্দ দেওয়া টাকায় সাইকেল ব্যবহারকারীদের জন্য দেওয়া হবে আলাদা সুযোগ-সুবিধা।

ডাচদের এত সাইকেলপ্রীতি কেন? সাইকেল জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে রয়েছে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেও ডাচরা বাইসাইকেলে যাতায়াত করত। কিন্তু গত শতাব্দীর পঞ্চাশ ষাটের দশকে এসে চিত্রটা হঠাৎ বদলে যেতে শুরু হয়। ইউরোপের দেশগুলোতে গাড়ির সংখ্যা হু হু করে বেড়ে যায়। মানুষ সাইকেল ছেড়ে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার শুরু করে। গাড়ি বাড়ার ফলে সড়ক দুর্ঘটনাও বাড়তে থাকে। ১৯৭১ সালের হিসাবেই দেখা যায়, সে বছর প্রায় তিন হাজার মানুষ মারা যায়, যার মধ্যে ৪৫০ জন ছিল শিশু।

এই পরিসংখ্যান টনক নড়ায় অনেকের। গড়ে ওঠে সামাজিক আন্দোলন।শিশুহত্যা বন্ধ করোস্লোগানে সে আন্দোলনের সময়ই মধ্যপ্রাচ্য ইউরোপ-আমেরিকার টানাপোড়েনে বিশ^জুড়ে জেঁকে বসে তেলের সংকট। সবকিছু মিলে আবার ডাচ সরকার বাইসাইকেল জনপ্রিয় করতে উদ্যোগী হয়। নগর-পরিকল্পনাবিদেরা সাইকেল বান্ধব নগর গড়ে তুলতে এগিয়ে আসেন। ধীরে ধীরে ব্যবহার শুরু হয়। ব্যবহার শুরু হলে জনপ্রিয়ও হয়ে ওঠে অল্প দিনেই। আর এখন তো নেদারল্যান্ডসের রাজধানী আমস্টারডামেই ৭০ শতাংশ যাতায়াত হয় বাইসাইকেল।’ [বিবিসি সিএএন অবলম্বনে ফাইজুন নাহার]

আমরা জানি, সাইকেল আর রিকশা চালানো প্রায় একই রকম। দুটিতে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। উভয়টা চালাতে হয় পায়ে চেপে, বেশ পরিশ্রম হয়, শরীর থেকে প্রচুর ঘাম ঝরে, শরীর থাকে মেদ-চর্বিমুক্ত। বরং পার্থক্য থাকলে শুধু এটা থাকতে পারে, সাইকেলের চেয়ে রিকশা চালানোতে কয়েকগুণ বেশি শারীরিক পরিশ্রম হয়, কয়েকগুণ বেশি ঘাম ঝরে। নিয়মিত রিকশা চালানোর কারণে যদি হার্ট ভালো থাকে, যদি বিশ-ত্রিশ বছর ধরে যারা রিকশা চালায় তাদের কারোই হৃদরোগ না থাকে, হার্ট অ্যাটাকে কেউ আক্রান্ত না হন, তাহলে সাইকেল নিয়মিত চালালেও অবশ্যই হার্ট ভালো থাকবে, হার্টের কোনো ক্ষতি হওয়া তো দূরের কথা।


সাইক্লিং হার্টকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখে

২০ এপ্রিল ২০১৭ বিবিসি নিউজে প্রকাশিত Cycling to work can cut cancer and heart disease, says study শিরোনামে সাইক্লিং সম্পর্কে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল কর্তৃক পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনের চুম্বক অংশ উল্লেখ করা হচ্ছে।

‘Want to live longer? Reduce your risk of cancer? And heart disease? Then cycle to work, say scientists.The biggest study into the issue linked using two wheels with a halving of the risk of cancer and heart disease.The five-year study of 250,000 UK commuters also showed walking had some benifits over sitting on public transport or taking the car. The team in Glasgow said cycling took no willpower once it became part of the work routine - unlike going to the gym. ...This is really clear evidence that people who commute in an active way, particularly by cycling, were at lower risk,’ Dr Jason Gill, from the University of Glasgow, told the BBC News Website.’

এখানে ক্যান্সার এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে সাইক্লিং যে বড় ভূমিকা রাখে তা বলা হয়েছে। তাছাড়া দীর্ঘজীবন লাভের জন্যও সাইক্লিংয়ের অবদানের কথা বলা হয়েছে।


দীর্ঘায়ু লাভে সাইক্লিংয়ের ভূমিকা

বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে প্রথম আলোর ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সংখ্যায়হৃদয়ের শত্রু বিরুদ্ধে অস্ত্র বানান সাইকেলকেশিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়, ‘দুই বছর আগে ল্যানসেট সাময়িকীতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বিশ্বে প্রতিবছর সব অকালমৃত্যুর প্রতি ১০টির মধ্যে একটি হয় ব্যায়াম না করার কারণে। মানে, নিয়মিত শরীরচর্চায় সুস্থ জীবন দীর্ঘায়ু হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।...

সাইকেল চালালে শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে হৃৎপিন্ড ভালো থাকে। উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেওসাইক্লিংভীষণ উপকারী। স্পোর্টস জার্নাল মেডিসিন অ্যান্ড সায়েন্স-এর গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, শরীরচর্চায় দৌড়ানোর চেয়েও বেশি ভালো সাইক্লিং সাঁতার। শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চাইলে সাইকেল চালাতে পারেন।...

কোপেনহেগেনহার্ট স্টাডি গবেষকরা ১৪ বছর ধরে হাজার মানুষের ওপর গবেষণা করেছেন। তাঁদের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, তীব্রসাইক্লিংমানুষের হৃৎপিন্ডের ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধাগ্রস্ত করে। ...

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতি সপ্তাহে ন্যূনতম ১৫০ মিনিট তীব্র শরীরচর্চা করলে ১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়। প্রতিদিন গড়ে ২০-২৫ মিনিটসাইক্লিংকিন্তু কাজটা করে দিতে পারে।...’

নূর আহমদ : শিক্ষক, কলামিস্ট ও গবেষক।

 

Comments

Popular posts from this blog

রূপালী ব্যাংকের সকল শাখার রাউটিং নাম্বার

 রূপালী ব্যাংকের সকল শাখার রাউটিং নাম্বার জেনে  নিন। Districts Branch Names Routing No. Bagerhat Bagerhat Branch 185010078 Bagerhat Baraikhali Branch 185010131 Bagerhat Betaga Bazar Branch 185010160 Bagerhat Fakirhat Branch 185010465 Bagerhat Kachua Bazar Branch 185010760 Bagerhat Mansa Bazar Branch 185010881 Bagerhat Mollahat Branch 185010915 Bagerhat Mongla Port Branch 185010973 Bagerhat Nager Bazar Branch 185011093 Bandarban Bandarban Branch 185030137 Barguna Amtali Branch 185040048 Barguna Barguna Branch 185040130 Barguna Betagi Branch 185040222 Barisal Agarpur Branch 185060044 Barisal Bazar Road Branch 185060402 Barisal Bhawanipur Branch 185060460 Barisal Central Bus Terminal Branch 185060615 Barisal Hemayetuddin Road Branch 185060886 Barisal Mehendiganj Branch 185061364 Barisal Muladi Port Branch 185060060 Barisal Rahmatpur Branch 185061722 Barisal Sadar Road Branch 185061814 Barisal Sagardi Bazar Branch 185061872 Barisal Shikarpur Branch 185062084 Bhola Bangla Bazar Bra...

জিপিএফ ফান্ডের হিসাব ঘরে বসে অনলাইনে দেখার নিয়ম

জিপিএফ ফান্ডের হিসাব ঘরে বসে অনলাইনে দেখার নিয়ম জিপিএফ ফান্ডের হিসাব এখন ঘরে বসে অনলাইনে দেখা যায়। সেক্ষেত্রে আপনার েস্মার্টফোন অথবা কম্পিউটারে নেট কানেকশন দিয়ে  জিপিএফ ফান্ডের হিসাব   এই লেখায় ক্লিক করুন। আপনার সামনে তিনটি অপশন আসবে। একটি হচ্ছে  Pension Payment Information আরেকটি হচ্ছে  GPF Information আরেকটি হচ্ছে  Grievance Redress System আপনি  GPF Information -এ ক্লিক করুন। আপনার সামনেিএকটি উইন্ডো ওপেন হবে। আপনি  এই উইনন্ডোতে প্রথম ঘরে আপনার ১৭ ডিজিটের আইডি নং অথবা ১০ ডিজিটের স্মার্ট কার্ড নম্বর লিখুন এরপর দ্বিতীয় ঘরে যে নাম্বার দিয়ে ফিক্সেশন করেছেন সেই মোবাইল নং দিন, তৃতীয় ঘরে অর্থবছর লিখুন, ২০২২ সালের জন্য ২০২১-২২ সিলেক্ট করুন। এরপর এন্টার বা সাবমিট দিন। আপনার নাম্বারে একটি ওটিপি নাম্বার আসবে।  সেটি দিলেই আপনার হিসাব চলে আসবে।

EFT Form ইএফটি ফরম পূরণের নিয়মাবলী (ফরমসহ)

 EFT Form ইএফটি ফরম সকল সরকারি চাকরিজীবির জন্য। নিয়মাবলী: নম্বরের বিপরীতে কিছু তথ্য উক্ত তিনটি সার্ভার থেকে আসবে। তাই এই তিনটি অংশ কোনক্রমেই ভুল করা যাবে না। ২।  পুরো ফর্মের ৬ (ছয়)টি জায়গায় বাংলায় নাম লিখতে হবে। বাকিগুলো ইংরেজিতে লেখাই ভালো হবে। এতে করে ডাটা এন্ট্রি যারা করবেন তাদের জন্য সুবিধা হবে। ইংরেজিতে নাম লেখার সময় Capital Letter ব্যবহার করলে ভালো হয়। ফরমের যে সমস্ত জায়গায় বাংলায় নাম লিখতে হবে- ক. ১.০ প্রাথমিক তথ্যাদির * কর্মচারীর নাম খ. ২.২ পারিবারিক তথ্যাদির ২.২.১ এ স্বামী/স্ত্রী সম্পর্কিত তথ্যাদির ৩ (তিন) নম্বর কলামে। গ. ২.২.২ এর সন্তান সম্পর্কিত তথ্যাদির ৫ (পাঁচ) নম্বর কলামে। (যাদের প্রয়োজন তারা লিখবেন।) ঘ. ২.২.৩ প্রতিবন্ধি সন্তান সম্পর্কিত তথ্যাদির ৪ (চার) নম্বর কলামে (যাদের প্রয়োজন। তারা লিখবেন।) ঙ. ৫.২ জিপিএফ নমিনি সংক্রান্ত তথ্যাদির ৪ (চার) নম্বর কলামে চ. ৯.০ চাকুরিজীবির অবর্তমানে পেনশন প্রাপ্তির উত্তরাধিকারী মনোনয়ন অংশের ৪ (চার) নম্বর কলামে। ৩। ১.০ প্রাথমিক তথ্যাদির জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এর ক্ষেত্রে পে-ফিক্সেশনে ব্যবহৃত নম্বরটি দিতে হবে। এক্ষেত্রে নতুন আইডি কিং...