Skip to main content

Posts

উচ্চতর গ্রেড নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য আরেকটি শুভ সংবাদ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আরো একটি বড় শুভ সংবাদ। ১০বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিক্সেশানের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য এখন থেকে  আর কোন বাধা নেই। গত রোববার স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চতর গ্রেড প্রদান সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। আদেশটিতে বলা হয়েছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫এর ৭(১) এর অধীন উচ্চতর গ্রেড প্রদানের বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণে কোনো বাঁধা নেই। আরো পড়ুন:   প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে বেতন দিতে হাইকোর্টের রায়

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে বেতন দিতে হাইকোর্টের রায়

  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয়) বেতন স্কেল ১০ম গ্রেড গ্রেডসহ গেজেটেড পদমর্যাদা দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।  সোমবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে ঘোষিত এক রায়ে এই ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন দোলন। রায়ে বলা হয়েছে ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে যেন এই আদেশ কার্যকর করা হয়। এ রায়ের ফলে প্রাথমিকের ৬৫ হাজার ৫৯ জন প্রধান শিক্ষকের ভাগ্য ফেরার সম্ভাবনা দেখছেন আইনজীবীরা।সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫৯ জন প্রধান শিক্ষকের পদ রয়েছে এবং ৫০ হাজারের কাছাকাছি পদের প্রধান শিক্ষক রয়েছেন। দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেলে এ পরিবর্তন আসে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানোর পর কাজ শুরু করেছিল জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়। >> বেতন কাঠামোয় বৈষম্য দূর করা সময়ের দাবি প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তারা এতদিন বেতন পেতেন ১১তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। এমনকি ৩৪তম ব...

শিশুরা মাতৃগর্ভে কি শ্বাস প্রশ্বাস নেয়?

পৃথিবীতে মানুষের আগমণের শুরুটা হয় পিতামাতার দৈহিক মেলামেশার ফলে পিতার শুক্রাণু এবং মাতার ডিম্বাণু মাতৃগর্ভে একত্রিত হবার মাধ্যমে। মানুষের জন্ম প্রথমে হয় তার মাতৃগর্ভে। মাতৃগর্ভে প্রায় ৯ মাস অবস্থানের পর একটা পর্যায়ে এসে সে ভূমিষ্ট হয়ে পৃথিবীর আলোয় আসে। মানুষ যতদিন বেঁচে থাকে ততদিন শ্বাস প্রশ্বাস নেয়। যে কোনোভাবে শ্বাস প্রশ্বাস নেয়া বন্ধ হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই সে মারা যায়। মায়ের পেট থেকে পৃথিবীতে আসার পর মানুষ ২৪ ঘন্টা শ্বাস প্রশ্বাস নেয়, এটা আমরা জানি। কিন্তু মায়ের পেটে থাকা অবস্থায় মানুষ শ্বাস প্রশ্বাস নেয় কিনা, তা অনেকের জানা নেই। অনেক অনেক মানুষ পুরো জীবনেও এই বিষয়ে কোনো মাধ্যমে কিছু জানার সুযোগ পায় না। আমার মাথায়ও মাঝে মাঝে প্রশ্নটি জাগে। একটা সময় এসে আমি নিজে নিজে উত্তরটা বুঝে নিই। শেষে একদিন গুগলে খুঁজে দেখি, এই সম্পর্কে আমার স্থির করে নেয়া ধারণাই সঠিক। আগে এই সম্পর্কে ভুল ধারণাটা জেনে নেয়া যাক। নিউকেয়ারবিডিডটকম নামক একটি ওয়েবসাইটে ‘‘সপ্তাহ অনুযায়ি গর্ভাবস্থা’’ শিরোনামের একটি নিবন্ধে বলা হয়, ‘‘২৯ সপ্তাহ: এই সপ্তাহে বাচ্চার ওজন ১৩০০-১৪০০ গ্রামের মত হয় ও ২৭ সে. মি. লম্বা হয়।ফুসফুসের...

বেতন কাঠামোয় বৈষম্য দূর করা সময়ের দাবি

জাতীয় বেতন কাঠামোয় ২০টি গ্রেড রয়েছে। একটি বেতন গ্রেড থেকে অন্য আরেকটি গ্রেডের ব্যবধান আনুপাতিক হারে সমান নয়। যেমন: দশম গ্রেডের মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা আর নবম গ্রেডের মূল বেতন ২২ হাজার টাকা, এই দুই গ্রেডের মধ্যকার ব্যবধান ৬ হাজার টাকা। মানে দশম গ্রেড থেকে এক গ্রেড উন্নীত হলেই যেখানে মূল বেতন বৃদ্ধি পায় ৬ হাজার টাকা, সেখানে ত্রয়োদশ গ্রেড থেকে দ্বাদশ গ্রেডে উন্নীত হলে মূল বেতন বাড়ে মাত্র ৩০০ টাকা! আনুপাতিক হারে কত আকাশ-পাতাল ব্যবধান! আরেকটা বিষয় দেখা যাক। ২০ তম গ্রেডের মূল বেতন ৮২৫০ টাকা। সেখান থেকে উপরের গ্রেডগুলোতে বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ যথাক্রমে ২৫০ টাকা, ৩০০ টাকা, ২০০ টাকা, ৩০০ টাকা, ৪০০ টাকা, ৫০০ টাকা, ৮০০ টাকা, ৩০০ টাকা। সর্বশেষ ৩০০ টাকা বেড়ে ১৩ তম গ্রেড থেকে ১২ তম গ্রেডে মূল বেতন হয় ১১৩০০ টাকা। এই ৮টি গ্রেড উন্নীত হবার পর ৮ গ্রেডে সর্বমোট মূল বেতন বেড়েছে ৩০৫০ টাকা। অথচ দেখুন, ৮ম গ্রেড (২৩০০০ টাকা) থেকে প্রথম গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ যথাক্রমে ৬০০০ টাকা, ৬৫০০ টাকা, ৭৫০০ টাকা, ৭০০০ টাকা, ৬৫০০ টাকা, ৯৫০০ টাকা, ১২০০০ টাকা। সর্বশেষ ১২০০০ টাকা বেড়ে ১ম গ্রেডে বেতন হয় ৭৮০০০ টাকা। উপরের দিকের ...

প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে এক হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

   প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘‘যেহেতু করোনাভাইরাসে সবার জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি শিক্ষার্থীদের আমরা এক হাজার করে টাকা দেব, যাতে করে তারা তাদের কাপড়-চোপড়, টিফিন বক্স ও প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারে।’’ সূত্র: জাগো নিউজ তিনি আরো বলেন, ‘‘কোনো মানুষ যেন কষ্টে না থাকে সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি রেখেই আমরা এই ব্যবস্থাটা নিয়েছি। অর্থনীতির চাকাটা যাতে গতিশীল থাকে আর সাধারণ মানুষ যেন কষ্ট না পায় তার জন্য এই ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছি। কারণ দেশের মানুষের জন্যই আমাদের এই রাজনীতি।’’ >>   প্রাথমিকে ড্রেস কোড অনুসরণে নতুন নির্দেশনা করোনাকালে নেয়া সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজগুলো তুলে ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘২১টি প্যাকেজে এক লাখ ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। তা জিডিপির ৪ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। এর বাইরেও ননএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আমার বিশেষ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি। প্রতিটি মসজিদ-মাদরাসায় টাকা পাঠিয়েছি। সরকারের প্রণোদনার বাইরেও আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি।’’ ...

প্রাথমিক স্তরের বিদ্যালয় চালুর প্রস্তুতি নিতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

করোনাভাইরাসের উপদ্রবের কারণে বিগত ১৮ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ রয়েছে। প্রথমবারের জন্য ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ধোষণা করা হলেও করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে বার বার এই বন্ধ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। যদিও করোনাভাইরাসের এক পর্যায়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘সেপ্টেম্বরের আগে খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান’’। [প্রথম আলো, ২৬  জুলাই ২০২০] কিন্তু সেপ্টেম্বরের শেষদিকেও যখন করোনা পরিস্থিতির বেশ একটা উন্নতি হয়নি, তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আরো বাড়িয়ে অক্টোবরের ৩ তারিখ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম আরা নাজনীন স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনায় বলা হয়, কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। বিদ্যালয় পুনরায় চালুর আগে অনুমোদিত নির্দেশিকার আলোকে প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা স্ক...

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্রিবতকর নাম পাল্টানো হচ্ছে

‘‘চোরের ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’’, ‘‘নাকফাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’’, ‘‘মানুষ মারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’’, ‘‘সানকিভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’’, ‘‘চুমাচুমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’’, ‘‘কুকুরমারা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’’- এসব হচ্ছে বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম। যুগের পর যুগ ধরে এসব স্কুলের নাম এভাবেই ব্যবহৃত হয়ে আসছিল, যা শুনতে বেশ শ্রুতকটু। অন্তত বিদ্যালয়ের নাম হিসেবে এগুলো কোনোভাবেই মানানসই নয়। কিছুদিন আগ ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব স্কুলের সাইনবোর্ডের ছবি পোস্ট করে বেশ হাসাহাসি হয়। বিষয়টা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নজরে আসে। তাই অধিদপ্তর এসব শ্রুতিকটু স্কুলের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। ইতোমধ্যে এরকম কয়েকটা স্কুলের নাম পরিবর্তনও করা হয়েছে। জানা গেছে, বিচ্ছিন্নভাবে এর আগেও এ ধরনের কয়েকটি স্কুলের নাম পরিবর্তন করেছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন এ ধরনের সব বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। যমুনা টিভিতে সংবাদ প্রচারের পর নেত্রকোণার ‘চোরের ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের’ নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। পূর্বধলা উপজেলার স্কুলটির না...