Skip to main content

Posts

ওজন কমানোর সহজ ও কার্যকর উপায়

ওজন কমানোর সহজ ও কার্যকর উপায়   ‘মেদ-ভুঁড়ি কী করি?’- এরকম শিরোনামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনেক বিজ্ঞাপন পত্রিকায় মাঝে মাঝে চোখে পড়ে। বুঝা যায় মেদ-ভুঁড়ি থেকে অনেকেই মুক্তি পেতে চায় বলেই মেদ-ভুঁড়ি কমানোর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা। অনেকে হয়তো শুধু চলাফেরা ও স্বাভাবিক কাজকর্মে অসুবিধার জন্যেই মেদ-ভুঁড়ি কমাতে উঠে পড়ে লেগে যান। শুধু স্বাভাবিক চলাফেরার জন্য নয়, সুস্থ জীবনযাপনের জন্যও মেদ-ভুঁড়ি তথা ওজন কমানো দরকার। যাদের ওজন বেশি বা শরীর মোটা, ওজন কমানোর জন্য তারা যে পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করতে পারেন- * প্রতিদিন যারা সাধারণত তিনবেলা খেতে অভ্যস্ত, তারা একবার কম খাওয়া উচিত। বিশেষ করে রাতের খাবার। দিনের খাবার বাদ দিতে গেলে বিপদ হতে পারে। * রাতের খাবার বাদ দিতে গিয়ে একেবারে খালিপেটে না থেকে ক্ষুধা দূর করার জন্য সামান্য কিছু খেতে পারেন। রুটিও খাওয়া যেতে পারে। পানি বেশি করে পান করলেও ক্ষুধার তীব্রতা কম অনুভূত হয়। * ক্ষুধা অনুযায়ী বা চাহিদামতো পেটভরে খাওয়া যাবে না কোনো বেলাতেই। কিছু ক্ষুধা রেখে দিয়ে খাওয়া শেষ করতে হবে। * শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করতে হবে বেশি বেশি। শারীরিক পরিশ্রমের সুযোগ না থাকলে ব্যা...

জিপিএফ ফান্ডের হিসাব ঘরে বসে অনলাইনে দেখার নিয়ম

জিপিএফ ফান্ডের হিসাব ঘরে বসে অনলাইনে দেখার নিয়ম জিপিএফ ফান্ডের হিসাব এখন ঘরে বসে অনলাইনে দেখা যায়। সেক্ষেত্রে আপনার েস্মার্টফোন অথবা কম্পিউটারে নেট কানেকশন দিয়ে  জিপিএফ ফান্ডের হিসাব   এই লেখায় ক্লিক করুন। আপনার সামনে তিনটি অপশন আসবে। একটি হচ্ছে  Pension Payment Information আরেকটি হচ্ছে  GPF Information আরেকটি হচ্ছে  Grievance Redress System আপনি  GPF Information -এ ক্লিক করুন। আপনার সামনেিএকটি উইন্ডো ওপেন হবে। আপনি  এই উইনন্ডোতে প্রথম ঘরে আপনার ১৭ ডিজিটের আইডি নং অথবা ১০ ডিজিটের স্মার্ট কার্ড নম্বর লিখুন এরপর দ্বিতীয় ঘরে যে নাম্বার দিয়ে ফিক্সেশন করেছেন সেই মোবাইল নং দিন, তৃতীয় ঘরে অর্থবছর লিখুন, ২০২২ সালের জন্য ২০২১-২২ সিলেক্ট করুন। এরপর এন্টার বা সাবমিট দিন। আপনার নাম্বারে একটি ওটিপি নাম্বার আসবে।  সেটি দিলেই আপনার হিসাব চলে আসবে।

চিনি বা মিষ্টি বেশি খেলে কি ডায়াবেটিস হয়?

  চিনি বা মিষ্টি বেশি খেলে কি ডায়াবেটিস হয়? নূর আহমদ  ডায়াবেটিসের ভয় সমাজে যত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তত মিষ্টিজাতীয় খাবার বা চিনি খাওয়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমে যাচ্ছে। আমার এক বন্ধু আছে কাশেম নামে, বাড়ি বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী। তার সাথে চা খেতে গেলে সে দেখি সবসময় চিনি কম দিয়ে চা দেয়ার জন্য বলে। একদিন তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কেন আপনি চিনি কম খাচ্ছেন?’ তিনি বললেন, ‘চিনি বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়, এজন্য।’ ‘চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়’, এই ধারণাটা বিশ^ব্যাপী দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সচেতনতার অংশ হিসেবে মানুষ চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবারকে বয়কট করতে শুরু করেছে। ‘চিনি বা মিষ্টি বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়’ এই ধারণাটা সমাজে বা বিশে^ কে ছড়িয়েছে? ধারণাটা সাধারণ মানুষ ছড়ায় নি। ছড়ানো হয়েছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে। আপনি কি কখনো চিনিকে ‘নীরব ঘাতক’ বা ‘সাদা বিষ’ বলতে শুনেননি বা কোথাও পড়েননি? আমি অনেক ছোট থাকতেই চিনিকে নীরব ঘাতক বলার কথা শুনে আসছি। এখনো মাঝে মাঝে চিনির বিরুদ্ধে অনেক নিবন্ধ বা প্রতিবেদন পত্রিকায় চোখে পড়ে। কিছু নিবন্ধ-প্রতিবেদন দেখা যাক। ‘কেন সা...

বংশগত রোগ নিয়ে মনের ভয় দূর করুন

  বংশগত রোগ নিয়ে মনের ভয় দূর করুন... বংশগত রোগ নিয়ে অনেক ভুল ধারণায় আমরা বিশ্বাসী। অনেকেই মনে করেন, বাবা-মা বা পূর্বপুরুষরা যেসব রোগে আক্রান্ত ছিলেন, আমরা সেগুলোতে আক্রান্ত হবার অর্থই হলো আমাদের রোগগুলো বংশগত, অন্য কোনো কারণে নয়। কিন্তু আমরা কি জানি, একটি রোগ কিভাবে বংশগতভাবে হতে পারে? অনেকেই জানি না। আপনি যদি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন আর আপনি যদি দেখেন আপনার বাবা-মা কেউ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিল, তাহলে আপনার ডায়াবেটিস তাদের কাছ থেকে আপনার মধ্যে সংক্রমিত হয়েছিল কিনা, তা যাচাই করার একমাত্র উপায় হলো, আপনাকে দেখতে হবে, আপনার জন্মের সময় আপনার বাবা-মা কি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিল, নাকি আপনার জন্মের অনেক পর তারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছিল? আপনার জন্মের সময় তারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকলে দেখতে হবে, আপনিও কি আপনার জন্মের সময় থেকেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত? যদি আপনিও আপনার জন্মের সময় থেকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চিত হতে পারেন, আপনার ডায়াবেটিস বংশগতভাবে আপনার মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে? নয়তো নয়। অর্থাৎ যদি আপনার জন্মের সময় আপনার বাবা-মা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন, আপনার জন্মে...

জাতীয় বেতন স্কেলের পুনর্বিন্যাস নিয়ে কিছু প্রস্তাব

জাতীয় বেতন স্কেলের পুনর্বিন্যাস নিয়ে কিছু প্রস্তাব নূর আহমদ দেশের সকল পর্যায়ের, সকল বিভাগের সরকারি চাকরিজীবিদের বেতন ‘জাতীয় বেতন কাঠামো’ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। আধা-সরকারি এবং অনেক স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবিদের বেতনও ‘জাতীয় বেতন কাঠামো’ অনুযায়ী নির্ধারন করা হয়। দেশের লক্ষ লক্ষ চাকরিজীবির বেতন, ইনক্রিমেন্ট, উচ্চতর স্কেল এবং পেনশন ‘জাতীয় বেতন কাঠামো’ অনুযায়ী নির্ধারিত হবার কারণে জাতীয় বেতন কাঠামো এসব চাকরিজীবির নিকট খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সরকার সর্বশেষ ২০১৫ সালে একটি পে-স্কেল প্রদানের মাধ্যমে জাতীয় বেতন কাঠামো পুণর্বিন্যাস করে। জাতীয় বেতন কাঠামোয় ২০টি গ্রেড রয়েছে। বেতন কাঠামোর এই ২০টি গ্রেড নির্ধারণ নিয়ে সিংহভাগ চাকরিজীবিরই গুরুতর আপত্তি রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বেতন কাঠামোর ধাপগুলো নির্ধারণে মারাত্মক বৈষম্য করা হয়েছে। চাকরিজীবিদের একটা বড় অংশের এমন আপত্তি এবং অভিযোগ কতটুকু সত্য, তা যাচাই করার জন্য যেকোনো নিরপেক্ষ মানুষ বেতন কাঠামোর দিকে এক পলক তাকালেই বুঝতে পারবে এবং অকপটে স্বীকার করবে, বেতন কাঠামোয় কিছু শ্রেণির প্রতি মারাত্মকভাবে বৈষম্য করা হয়েছে। বেতন কাঠামোয় কিভাবে ব...

বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে ‘কাভারবিহীন তারে’ আর কত মৃত্যু?

বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ ধরে আমাদের দেশের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো তাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে খোলা তার ব্যবহার করে আসছে। এতে দেশের মানুষের কী ক্ষতি হচ্ছে, তা তারা বিন্দুমাত্রও পরোয়া করছে না। যদি বিন্দুমাত্রও পরোয়া করতো তাহলে অনেক আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের সব কাভারবিহীন তার বাদ দিয়ে সেখানে কাভারযুক্ত তার ব্যবহার করতো। যারা দৈনিক পত্রিকা পড়েন, তারা জানেন, দেশের কোনো না কোনো স্থানে প্রায় প্রতিদিন কাভারবিহীন তারের সংস্পর্শে গিয়ে বা কাভারবিহীন তারে জড়িয়ে অনেক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে, অনেকে মারাত্মকভাবে আহত হচ্ছে, অনেকে পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে সারাজীবনের জন্য। কখনো কখনো এসব কাভারবিহীন তারের সংস্পর্শে এসে একজন নয়, দু-তিনজন মানুষও একইসাথে প্রাণ হারাচ্ছে। ‘লোহাগাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় দৈনিক কালের কন্ঠে ১৮ আগস্ট, ২০২০ তারিখে। ‘রায়েরবাজারে বিদ্যুতায়িত হয়ে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় প্রথম আলোয় ২২ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে। এভাবে একই সাথে একাধিক মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিন্তু এখনো এই মৃত্যুগুলো বন...